Home » Search results for ''

Search Results for:

WB PRIMARY TET 2015 EXAM DATE ADMIT CARD FORM FILL UP RESULT INTERVIEW COUNSELLING INFORMATION LATEST NEWS

LIKE FACEBOOK PAGE: www.facebook.com/wbbpe
Unofficial Informational Website West Bengal Board of Primary Education www.facebook.com/wbbpe FOR SSC, PSC, BANK, RAIL, POLICE, TEACHER , PROFESSOR ETC JOB & EDUCATIONAL LATEST NEWS VISIT THE WEBSITE: www.EduEtc.Com THOSE WHO ARE SCHOOL TEACHERS MAY JOIN ONE OF THE MOST DYNAMIC TEACHERS GROUP OF WEST BENGAL: https://www.facebook.com/groups/GeneralTransferAndMutualTransfer

APPOINTMENT NOTIFICATION FOR PRIMARY TEACHERS

wbbpe-appointment-notification

 

West Bengal Board of Primary education (WBBPE) published appointment notification for primary teachers in official website www.wbbpe.org   . Advertisement memo no. 2202/BPE/2016 Date 26.09.2016 .

West Bengal Primary TET passed candidates can apply for the post of primary teacher.

For details download the advertisement  form Official Website link  http://www.wbbpe.org/WBBPE_NOTICE/AdvforAdvertisement.pdf

 

Interview / Personality Test

APPOINTMENT NOTIFICATION FOR PRIMARY TEACHERS

প্রাইমারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলো পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
West Bengal Board of Primary Education (WBBPE) published appointment notification for primary teachers.

appointment_notification_wbbpe

 

 

 

West Bengal Board of Primary Education will conduct the personality test of the candidates those who are qualified in WB Primary TET 2015.
Board will inform schedule date and time for Personality Test. Successful candidates keep patience and be prepared for personality test to become teacher in the West Bengal Government affiliated primary schools.

PERSONALITY TEST FOR UPPER PRIMARY TET PASSED CANDIDATES

UPPER PRIMARY TET PASSED APPLY ONLINE ON OFFICIAL WEBSITE OF WBSSC  WWW.WESTBENGALSSC.COM FOR ASSISTANT TEACHER RECRUITMENT.

NOTICE

wbssc_tet_personality_test_applicationNotice Source  www.westbengalssc.com dated 22/09/2016 

 

 

Final Result: http://www.wbresults.nic.in

TET Result Link: http://wbresults.nic.in/

INTERVIEW LINK:  http://www.wbresults.nic.in/primary_venue/primaryvenue.htm
Best of Luck to all.

Results www.wbresults.nic.in Primary TET 2015

WB PRIMARY TET 2014 RESULT NEWS

TET RESULT IS PUBLISHED TODAY

হাই কোর্টের রায়ে প্রাইমারী টেটের রেজাল্ট প্রকাশ হতে চলেছে। আজ 14/09/2016 প্রাইমারী টেটের ফল প্রকাশ। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন প্রাপ্তরা অগ্রাধিরার পাবেন।

RESULT LINK www.wbresults.nic.in

http://wbresults.nic.in/primary_tet2014_result/primary.htm

CLICK ON THE LINK TO VIEW RESULTS http://wbresults.nic.in/primary_tet2014_result/primary.htm

Previous News

মামলা তুলতেই শিক্ষক নিয়োগ করবেন মমতাঃ

160827TET_RESULT1

160827TET_RESULT2
Eisamay Patrika dated 27/08/2016

 

RESULTS LINK  http://wbresults.nic.in/

DOWNLOAD POSTPONED TET QUESTION PAPER

CLICK HERE TO DOWNLOAD

 

Interim Stay Order by Honourable  High Court on publication Primary TET and Upper Primary TET Result. Details:

Honourable High Court gives order to publish the Question Paper of Previously Cancelled TET  Exam. To view this question paper please keep eyes on official website of WBBPE. Official websites of WBBPE are

 

 

1. www.wbbpe.org

2. www.wbresults.nic.in

3. www.wbsed.gov.in/wbsed/wbbpe/wbbpe_home.php

Also link to question paper will given in this website.

Download Question Paper  http://wbbpe.org/WBBPE_NOTICE/Postponed_TET_Question_Paper_30_08_2015.pdf

Like Facebook Page www.facebook.com/wbbpe to get instant updates.

DOWNLOAD CALCUTTA UNIVERSITY RESULTS LINK HERE

University_of_Calcutta_BA_BSC_BCOM_PART_1_2_3_Major_and_General_Result

http://wbresults.nic.in/

WBBPE NOTICE 

wbpe_acknowledgement_notice

WBBPE NOTICE DATED 29-09-2015:

2015-09-29
Source:  http://www.wbsed.gov.in/wbsed/readwrite/notifications/122413021407003.pdf

WBBPE Exam Center 2014 – 2015:

163052714

wbbpe_new_exam_date

 

Notice Regarding WBBPE Primary TET Reschedule: Notice_Regarding_Reschedule_wbbpe_tet

wbbpe_notice_07_09_2015

NEW EXAM DATE OF WBBPE PRIMARY TET:  11-10-2015,  STARTING TIME : 2 PM  TO 4:30PM .

wbbpe_dppsc_contact_number

wbbpe_tet_timings

 

 

Download Above Notice in Bengali 01_09_2015_bengali

Download Above Notice in English 01_09_2015_english

DPSC Contact Number:  www.wbbpe.in/dpsc-contact-number

  • Exam Centre /Exam Venue Admit Card WBBPE Primary TET 2015

EXAM_CENTRES
Exam Date of WB Primary TET Exam is .
 04-10-2015
Exam Center :
www.wbresults.nic.in
 

TET-2014: Centre/Venue Allotment for the Applicants who have applied in 2015
published on 14/08/2015 at 5:00 P.M  

The TET-2014-applicants who collected and submitted the filled-in application forms and also retained two copies of the Admit Card in response to our Advertisement/ Notification,date: 26/06/2015 and 05/07/2015, are requested to visit the website: www.wbresults.nic.in for information regarding the allotment of Examination Centre/Venue for the TET-Examination-2014 to be held from 02:00 p.m. on 30-08-2015.For having information regarding such allotment,they will have to go through the following steps:
Example:

1. Check the Roll No you have pressed with the printed Form No./ Roll No. in the Admit Card /s which you have retained after submission of the filled up form.
2. If the entered Roll No. tallies, then only press the ‘submit’ button.
3. If the Roll No. is valid, the following information will flash up on the screen :
• Roll No.                              :
• District Name                     :
• Name of the Venue             :
• Nearest Venue P.S.              :
4. If the given Roll No. is invalid, the information ‘INVALID ROLL NUMBER’ will appear on the screen.

OFFICIAL WEBSITE LINK:  http://wbresults.nic.in/primary_venue/primary.htm

Exam Center 2015 for those who appeared in WBBPE 2012 is same as previous.

DISCLAIMER: This website is an unofficial website: Please go to the official link: http://wbresults.nic.in/primary_venue/primary.htm to find exam centre.

 

 

 

 

HIGH COURT ORDER

Kolkata_High_Court

PRIMARY CASE:

TET RESULT IS PUBLISHED TODAY 14/09/2016

হাই কোর্টের রায়ে প্রাইমারী টেটের রেজাল্ট প্রকাশ হতে চলেছে। আজ 14/09/2016 প্রাইমারী টেটের ফল প্রকাশ। নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন প্রাপ্তরা অগ্রাধিরার পাবেন।

RESULTS LINK http://wbresults.nic.in/primary_tet2014_result/primary.htm

http://wbresults.nic.in/primary_tet2014_result/primary.htm

14th September 2016  হাইকোর্টে টেট মামলায় রায়দান

14 th September 2016  টেট মামলার রায় দিতে চলেছেন কোলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়ের উপর নির্ভর করছে লক্ষ লক্ষ প্রশিক্ষনহীন পরীক্ষার্থীর ভাগ্য। তবে রায় বেরিয়ে গেলে টেট রেজাল্ট বের হতে আর বেশী দিন সময় লাগবে না। এই কোর্ট কেসের জন্যই রেজাল্ট আটকে আছে। পরীক্ষার্থীরা এই রায়ের দিকে অধীর অপেক্ষায় তাকিয়ে আছেন।

 


Previous News

Dated: 31/08/2016

টেট মামলায় ফের রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট

টেট মামলায় ফের রায়দান স্থগিত রাখল হাইকোর্ট। ২০০৯ সালের পরে ৪৩৭টি টেট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বেশিরভাগই স্বীকৃতিহীন ছিল বলে আদালতকে জানাল রাজ্য সরকার। ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলির স্বীকৃতি থাকলেও পরে স্বীকৃতিতে ছেদ পড়ে। বিচারপতি কারনান প্রশ্ন তোলেন তাহলে ২০০৯-র পর থেকে রাজ্যসরকার এই স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে আইনত কী ব্যবস্থা নিয়েছে?

সরকারি আইনজীবী জানান যে যেহেতু অধিকাংশই স্বীকৃতিহীন প্রতিষ্ঠান তাই দুহাজার পনের সালে টেট পরীক্ষার সময় হাতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত প্রার্থী ছিলেন না। কিন্তু এখন রাজ্য সরকার অনুমোদিত স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান আছে। ২০১৭-র মধ্যে শিক্ষিত হবেন পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রার্থী। যদিও মামলাকারীর আইনজীবীরা এর তীব্র বিরোধিতা করেন। রায়দান আপাতত স্থগিত রাখেন বিচারপতি

Source: zeenews.india.com

Previous News

আজ টেট মামলার রায় কলকাতা হাইকোর্টে।

TET VERDICT

 

18/08/2016: 

টেট মামলায় নয়া মোড়! বিপাকে কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী:

টেট মামলায় অন্ধকারে প্রশিক্ষণহীনদের ভবিষ্যত্‍। রাজ্য সরকার এবার হাইকোর্টে জানিয়ে দিল, নিয়োগে অগ্রাধিকার পাবেন প্রশিক্ষিতরাই। প্রশিক্ষিতদের নিয়োগের পর শূন্য পদ থাকলে, তবেই বিবেচনায় আসবে প্রশিক্ষণহীনদের কথা। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও প্রশিক্ষণহীন, দুয়ের মাঝেই যত জট-জটিলতা। মাঝে ফেঁসে বহু পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যত্‍। বারবার চক্কর আদালতের।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি সি এস কারনানের এজলাসে শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল জানিয়ে দেন, “প্রশিক্ষণহীনদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হলেও, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদেরই অগ্রাধিকার দেবে রাজ্য। যদি দেখা যায় শূন্যপদ ভরে যাচ্ছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দিয়েই, তাহলে আর একজনও প্রশিক্ষণহীনকে নিয়োগ করা হবে না।”

প্রশিক্ষণহীনদের ভবিষ্যত যে অন্ধকারে চলে গেল, তা রাজ্যের এদিনের বক্তব্যে পরিস্কার। টেট নিয়ে টানাপোড়েন অবশ্য আজকের নয়, বহুদিনের। ৩১ মার্চ, ২০১৫-র পর প্রাথমিকে টেট পরীক্ষায় বসতে পারবেন না প্রশিক্ষণহীনরা। কেন্দ্রের এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে ওইসময় রাজ্যের জবাব ছিল, রাজ্যে যথেষ্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থী নেই। তাই প্রশিক্ষণহীনদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।

Source  zeenews.india.com

 

Previous News:

৮ আগস্টের মধ্যে হাই কোর্টে ছাড়পত্রের কপি জমা দিতে হবে রাজ্যকে৷

২০১৫-র প্রাথমিক টেট নিয়ে হাই কোর্টে জটিলতা অব্যাহত৷ অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীদের নিয়োগের বিরোধিতা করে দায়ের হওয়া মামলায় ফের রাজ্যকে হুঁশিয়ারি বিচারপতি সি এস কারনানের৷ শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কারনান জানান, ভুল তথ্য দিলে বিপাকে পড়তে হবে রাজ্য সরকারকেই৷

কেন্দ্রের কাছে অপ্রক্ষিতদের প্রশিক্ষিত করার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত রাজ্যের আবেদনের কপি ও কেন্দ্রের কাছ থেকে পাওয়া সেই সংক্রান্ত ছাড়পত্রের কপিও তলব করেছেন বিচারপতি কারনান৷ ৮ আগস্টের মধ্যে হাই কোর্টে ওই কপি জমা দিতে হবে রাজ্যকে৷ এদিকে, টেট নিয়ে চলতে থাকা জটিলতা প্রসঙ্গে এদিন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “২০১৫ -র অক্টোবরে নেওয়া প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা আমাদের আবশ্যিক কর্তব্য৷ প্রায় ২০ লক্ষ প্রার্থী পরীক্ষায় বসেছিলেন৷ আমরা আশাবাদী, শিক্ষকদের অপ্রতুলতা দূর হবে৷
Date: 06/08/2016
Source: www.sangbadpratidin.in

PTTI CASE:

রাজ্যের জয়ে চাকরি বাঁচল প্রাথমিকে

Date: 23/07/2016 Anandabazar Patrika:
দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মামলা ঘুরপাক খেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টের মধ্যে। তাতেও সুরাহা না-হওয়ায় ফের মামলা হয় উচ্চ আদালতের সিঙ্গল বেঞ্চে। সেখান থেকে ডিভিশন বেঞ্চ। অবশেষে শুক্রবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সেই নিয়োগ মামলায় জয় হল রাজ্য সরকারের।
এবং সরকারের জয়ে প্রাথমিক শিক্ষকের পদে নিযুক্ত কয়েক হাজার প্রার্থীর মাথার উপর থেকে সরে গেল বিপদের খাঁড়া। হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ মেধা-তালিকা ঢেলে সাজার যে-নির্দেশ দিয়েছিল, সেই অনুযায়ী কাজ হলে অনেকেরই চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়ে যেত বলে শিক্ষা শিবির এবং আইনজীবীদের অভিমত। ডিভিশন বেঞ্চ মেধা-তালিকা পুনর্বিন্যাসের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেওয়ায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন স্কুলে নিযুক্ত বহু প্রার্থীর বিপদ কাটল।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক গত ১২ এপ্রিল নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০০৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় পিটিটিআই প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বরের সঙ্গে বাড়তি ২২ নম্বর যোগ করতে হবে। সেই অনুযায়ী নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাসও করতে বলেন তিনি। রাজ্য সরকার সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাস দেড়েক আগে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করে। বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও বিচারপতি মির দারা সিকোর ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন বিচারপতি বসাকের সেই নির্দেশ খারিজ করে দেওয়ায় একই সঙ্গে সরকারের জয় হয়েছে এবং বিপন্মুক্ত হয়েছেন নিয়োগপত্র পাওয়া অনেক প্রার্থী।
রাজ্য জুড়ে শিক্ষকের আকাল। পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা না-থাকায় প্রাথমিক থেকে স্কুলশিক্ষার সর্বস্তরেই পঠনপাঠন মার খাচ্ছে। এই অবস্থায় শিক্ষা শিবিরের প্রশ্ন, প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে মামলা-মকদ্দমা এত জটিল এবং দীর্ঘায়িত হয়ে উঠল কেন?
রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রের খবর, ২০০৬ সালে কর্মসংস্থান কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকপদ পূরণের জন্য আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ’ ছিল না। প্রতিটি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের মাধ্যমে ওই সব পদে নিয়োগের পরীক্ষা হয়। প্যানেল তৈরি হয় ২০০৯-’১০ সালে। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০১ সালের নিয়ম মেনে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট বা পিটিটিআই থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দেওয়া হবে। কিন্তু মেধা-তালিকা তৈরির পরে জানা যায়, ওই ২২ নম্বর অনেককেই দেওয়া হয়নি। হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত যাঁরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁরা ২২ নম্বর পাওয়ার যোগ্য। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে শীর্ষ আদালত।
কিন্তু তার পরেও প্রাপকদের ওই ২২ নম্বর না-দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ফের হাইকোর্টে মামলা করেন। গত এপ্রিলে বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানিয়ে দেন, প্রশিক্ষিত প্রার্থীদের ওই ২২ নম্বর দিতেই হবে। সেই সঙ্গেই তাঁর নির্দেশ ছিল, ওই বাড়তি নম্বর সংযোজনের পরে মেধা-তালিকায় যে-হেরফের হবে, সেই অনুযায়ী প্যানেল পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
বর্তমানে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অশোক রুদ্র সেই সময় আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। এ দিন তিনি জানান, পূর্বতন বামফ্রন্ট সরকার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল, প্রাথমিক শিক্ষকপদে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হবে। থাকতে হবে এক বছরের পিটিটিআই ট্রেনিং। কিন্তু ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশন বা এনসিটিই-র নিয়ম অনুযায়ী এটা অবৈধ। তাদের নিয়ম অনুসারে ন্যূনতম যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করতে হবে। এবং সেই সঙ্গে থাকতে হবে দু’বছরের পিটিটিআই প্রশিক্ষণ। অশোকবাবুর অভিযোগ, আগেকার সরকার এনসিটিই-র নিয়ম উপেক্ষা করে নিয়োগ করতে থাকায় জটিলতা শুরু হয়। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে এনসিটিই-র নিয়ম মানতে গিয়ে বঞ্চিত হন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একাংশ। ওই ২২ নম্বরের দাবি জানিয়ে ২০১২ সালে তাঁরাই উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
স্কুলশিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানান, বিচারপতি বসাকের নির্দেশে অনেক প্রাথমিক শিক্ষকেরই চাকরি হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ, ওই ২২ নম্বর দেওয়া হলে এবং প্যানেল পুনর্বিন্যস্ত হলে অনেক প্রার্থীর নাম তালিকার উপরের দিকে চলে আসত। স্বাভাবিক ভাবেই সেই সব প্রার্থী হয়ে উঠতেন এমন কিছু পদের দাবিদার, যেখানে নিয়োগ হয়ে গিয়েছে। পথে বসতেন ইতিমধ্যে নিযুক্ত বহু প্রার্থী। সেই জন্যই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার।
‘‘ডিভিশন বেঞ্চের রায়ের ফলে বহু শিক্ষক বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচলেন,’’ বলছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য।
Source: http://www.anandabazar.com/state/state-government-finally-wins-the-case-primary-teacher-case-recruitment-1.440732#

আশঙ্কা কাটল ২০০৯ সালে নিযুক্ত ২৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষকের।

Date: 22/07/2016

#কলকাতা: আশঙ্কা কাটল ২০০৯ সালে নিযুক্ত ২৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষকের। অন্যদিকে, ২০০৬ সালের আগে পিটিটিআই শংসাপত্র প্রাপক দুই থেকে আড়াই হাজার নিয়োগপ্রার্থীর নতুন করে চাকরি পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেল ৷
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় জয় পেল রাজ্য । পিটিটিআই ট্রেনিংপ্রাপ্তদের প্রাপ্য বাইশ নম্বরকে মান্যতা দেওয়ার রায় খারিজ করে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
২০১০ সালে নিয়োগপত্র পাওয়া এই প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ তালিকা পুনর্বিন্যাস করতে হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্টের সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ পিটিটিআই নিয়ে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ খারিজ করে দিল ।
চলতি বছরের ১২ এপ্রিল হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের ২২ নম্বরকে মান্যতা দেন। বলেন, ২০০৯ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগের যে তালিকা তৈরি হয়েছিল তা পুনর্বিন্যাস করতে হবে। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে রাজ্য সরকার। আজ সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের পক্ষেই রায় দিল।
এর ফলে পিটিটিআই নিয়ে কাটল জটিলতা ৷ এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে বিপাকে পড়েছিল রাজ্য এবং একইসঙ্গে ২০০৯-১০ সালে নিযুক্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয় ৷
২০০৬ থেকে ২০১০, মামলা-মকদ্দমা সহ নানা ঘটনার জেরে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি নিয়েই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। ২০০৯ সালের পরীক্ষার ভিত্তিতে, ২০১০ সালে নিয়োগপত্র পাওয়া প্রায় ৩০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক আচমকাই চরম সংশয়ে পড়েন।
শিক্ষার অধিকার আইন চালু হওয়ার আগে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য মানা হত নিয়োগ আইন ২০০১। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের রিক্রুটমেন্ট রুল ২০০১ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদগুলি প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ করত। সেই আইন অনুযায়ী জেলায় জেলায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হয় ২০০৬ সালে। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত পিটিটিআই নিয়োগপ্রার্থীদের পাশপাশি প্রশিক্ষণহীনরাও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। প্রতি জেলায় হাজার হাজার পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় বসে। শেষমেষ ২০০৯-১০ সালে ২০০৬ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হয়।
নিয়োগের ক্ষেত্রে পিটিটিআই দের জন্য আলাদা করে কোনও সুবিধা দেওয়া হয়নি। ২২ মার্কসকে বাদ রেখেই চূড়ান্ত প্যানেল করে তৎকালীন বাম সরকার। এরপর মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, সুপ্রিম কোর্টে ২০০৬ সালের আগে পিটিটিআই শংসাপত্র প্রাপকদের ২২ নম্বর মার্কস নিয়ে কোনও নির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ রাখা হয়নি। এরপর পিটিটিআই পরীক্ষার্থীরা মামলা করে হাইকোর্ট।
সেই মামলায় গত ১২ এপ্রিল আমিনা খাতুন মামলায় ২০০৪-০৫ বর্ষ পর্যন্ত পিটিটিআই শংসাপ্রাপ্তদের আবেদনকে মঞ্জুর করে যুগান্তকারী রায় দেয় কলকাতা হাইকোর্ট ৷ বিচারপতি দেবাংশু বসাকের রায়ে দেয়, ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত পিটিটি শংসাপত্র প্রাপকদের মেধা অনুযায়ী ২২ নম্বরকে মান্যতা দিতে হবে। ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তালিকা প্রয়োজনে পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বে়ঞ্চে যায় রাজ্য সরকার। আলাদা ভাবে ২৮৯ জন পিটিটিআই নিয়োগপ্রার্থীও মামলায় অংশ নেন। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে শুক্রবার বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও মীর দারাশেকোর ডিভিশন বেঞ্চ জানায় ২০০৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ তালিকা নিষ্প্রয়োজন। পাশাপাশি, বিচারপতি দেবাংশু বসাকের নির্দেশ খারিজ করে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ।
সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ কার্যকর করতে হলে রাজ্য জুড়ে চরম বিপত্তিতে পড়ত প্রাথমিক শিক্ষা সংসদগুলি। পিটিটিআই নিয়োগপত্রের ২২ নম্বরের মধ্যে কে কত নম্বর পেল সেই নম্বর যোগ করে নতুন করে প্রতিটি প্যানেল নতুন করে তৈরি করতে হত। এর ফলে ছয় বছর চাকরি করা ২২ হাজার শিক্ষককে বসিয়ে নতুন করে নিয়োগ তালিকার পিছনের ২২ হাজারকে সামনে আনতে হতো।

Source: http://bengali.pradesh18.com

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের ‘মোড় ঘোরানো’ রায়!

Dated: 22/07/2016
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় স্বস্তিতে রাজ্য সরকার। ২০০৯-এর শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ খারিজ হয়ে গেল ডিভিশন বেঞ্চে। এর আগে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন বিচারপতি দেবাংশু বসাকের সিঙ্গল বেঞ্চ।
২০০৯-এ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার পর পিটিটিআই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা অভিযোগ করেন, নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দেওয়া হয়নি। এনিয়ে হাইকোর্টে মামলাও করেন কয়েকজন।
হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ২২ নম্বর যোগ করে নতুন করে প্যানেল প্রকাশ করতে হবে। খারিজ করতে হবে আগের প্যানেল। এই নির্দেশের ফলে প্রায় ছয় বছর ধরে কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষকদের একাংশের চাকরি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
এরপরই সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা করে রাজ্য সরকার। সেই মামলায় ২০০৯-এর প্যানেলকে বৈধ বলে রায় দিল বিচারপতি সৌমিত্র পাল ও বিচারপতি মীর দারাশিকো-র ডিভিশন বেঞ্চ।

Source: http://zeenews.india.com/

 

 

 

 

 

——————————————————————-

Previous News 12/04/2016

High Court verdict regarding Primary Recruitment

12/04/2016

প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ হাইকোর্টের

২০০৯-এর প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল পুনর্বিন্যাস করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।
২০০৬ সালে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ থেকে পাঠানো চিঠির ভিত্তিতে ২০০৯-এ ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। নির্দেশিকা অনুযায়ী যাঁরা পিটিটিআই ট্রেনিং করেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককে অতিরিক্ত ২২ নম্বর করে দেওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, নির্দেশিকায় উল্লেখ থাকলেও অনেককেই ওই নম্বর পাননি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে এ নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে ২০১২-য় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়। সেখানে হারের পর সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টও মামলাকারীদের পক্ষে রায় দেন। যদিও মামলাকারীরা তার পরেও চাকরি পাননি বলে অভিযোগ। ফের মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এ দিন বিচারপতি বসাক মামলাকারীদের অতিরিক্ত ২২ নম্বর দিয়ে প্যানেল পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন।
Source: http://www.anandabazar.com/

MORE NEWS:
রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় রায় দিল আদালত। কলকাতা হাই কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে যে রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের যে প্যানেল র‍য়েছে তার পূর্নবিন্যাস করতে হবে। অর্থাৎ আগের যে প্রক্রিয়ায় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুল গুলিতে শিক্ষক নিয়োগ হতো তা সম্পূর্ণ রুপেই বদলে যাবে। একইসঙ্গে আদালতের নয়া এই নির্দেশিকায় চাকরি খোয়াতে পারেন বহু প্রাথমিক শিক্ষক।

আদালতের এই নয়া নির্দেশে ২০০৪-০৫ সালে পিটিটিআই-এর প্রাপ্ত নম্বরকেই মান্যতা দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এই রায় দিয়েছেন। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় নতুন করে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্যানেল তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

Source: www.bengali.kolkata24x7.com

 

High Court declares that WB  Primary Teacher recruitment  2013 trough Primary TET is LEGAL.

high_court_tet_epratidin high_court_tet_eisamay

 Interim Stay Order by Honourable  High Court on publication Primary TET and Upper Primary TET Result.

প্রাথমিক ও সেকেন্ডারি টেটের ফল প্রকাশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ। জানুয়ারির দশ তারিখ পর্যন্ত এই দুই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না। নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

টেট নিয়ে জনস্বার্থে দায়ের করা একটি মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ এ দিন রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে, জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ২০১৪-র টেটের ফলপ্রকাশ স্থগিত রাখতে হবে। পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ জানুয়ারি।

Visit the website www.wbbpe.in regularly for latest updates on West Bengal Primary School Teacher Recruitment.

D El Ed Admission

D_El_Ed_Information

Notice for Admission to the Two-year D. El. Ed. Course for the session 2016-2018

West Bengal Board of Primary Education

No. 793/BPE/2016                               Date: 03.06.2016

N O T I C E

The heads of all the NCTE Recognized D.El.Ed. Institutions (DIETs, Government, Govt. Aided, Govt. Sponsored and Self-financed Non-Govt.) are hereby informed that the Application Form for admission to Two Year D. El. Ed. Course (regular face to face mode) will be available from the office of the W.B. Board of Primary Education at APC Bhavan, DK-7/1, Sector-II, Salt Lake City, Kolkata – 700 091 on and from 08.06.2015 (Wednesday) for distribution to the applicants.

Each form will have to be sold @ ₹ 300/- (Rupees three hundred) only to eligible candidates, willing to apply. However, the same will be issued to SC, ST and PH Candidates @ ₹ 150/- (Rupees one hundred fifty) only.

The heads of the Self-Financed Non-Government Institutes will have to deposit the prescribed cost of the forms in advance through a Demand Draft, payable to the “West Bengal Board of Primary Education” according to the total intake capacity of their Institutions.

The forms will be available to the applicants from the respective Institutions w.e.f 10.06.2016 (Friday)). A list of such Institutions will be published in the newspapers with the notification.

The process of admission will follow the schedule as under:

Issuance of Application Form to the Institution from WBBPE 08.06.2016

Issuance of Application Form from the Institution to the applicants On and from 10.06.2016

Last date of issuance and submission of Application Forms 20.06.2016 till 4-00 p.m.

Submission of Merit List(s) to WBBPE 24.06.2016

Delivery of approved merit list(s) 25.06.2016 to 30.06.2016

Last Date of Admission in all Institution 15.07.2016

The Heads of all the DIETs/Govt./Govt. Spon./Govt. Aided institutions are requested to come personally or send their authorized representatives to receive the said forms from the office of the undersigned on and from 07.06.2016.

In case of Self-financed Non-Government Institutions only the approved Head of the Institution will personally receive for distribution of Forms to the applicants and will submit the Merit List under their seal & signature. The approved list of faculty shall be submitted at the time of receiving Application Form and the Merit List shall be signed by the Head of the Institution and one of the teachers in the approved Faculty List. The Heads of the Institutions must carry their Photo ID Card issued by the competent Government authority in all the above mentioned process to avoid impersonation.

( Dr. R.C. Bagchi )

Secretary

Memo. No. 793/1(500)/BPE/2016         Date: 03.06.2016

DOWNLOAD NOTICE  D_El_Ed_Admission_2016

SOURCE: http://www.wbsed.gov.in

D El Ed registration http://www.wbsed.gov.in/wbsed/default.html

 

——————————————————————————-

——————————————————————————-

PREVIOUS NEWS

NOTIFICATION FOR COMMENCEMENT OF THE TWO YEAR D.El.ED. COURSE 2015-17 THROUGH ODL-MODE FOR PBSSM APROVED ELIGIBLE UNTRAINED IN-SERVICE PARA TEACHERS

This is to notify for information of all concerned that the process for the online registration into Two Year D.El.Ed. Course (through ODL Mode), 2015-17 for the in-service Para-teachers, engaged under the approval of the Paschim Banga Sarva Siksha Mission, is going to commence in terms of the order of the Government of West Bengal in the Department of School Education, No 766-SSE/15, Date: 18/12/2015, read with the approval-order of the NCTE No. F.62-3/2011/NCTE/N&S, Date: 24/04/2015 and subsequent clarifications in November-2015. The eligible untrained in-service para-teachers are requested to register themselves online through www.wbsed.gov.in for the Two Year D El Ed course (through ODL-Mode)-2015-17.

The date of starting of online registration will be published on 4th January, 2016.

Essential conditions of eligibility for registration into the said course are:

I. The applicant should be working as a para teacher under the approval of PBSSM for at least two years and he/she should be eligible to be engaged upto 60 years of age as per Notification No. 273 SE(P)/PBRPSUS/ADMN/9/04-05 dtd 23-04-2010 read with no. 376-SE(Pry) dtd 09-06-2010.

II. Must pass H. S. Or its Equivalent Examination with 50% ( for unreserved category para-teachers) or with 45% (for reserved category para-teachers, such as SC/ST/OBC-A/OBC-B/PH/Ex-servicemen/Exempted Category)

Or

Must be a graduate from a recognized university irrespective of the percentage of marks therein

 

III. In case of

a. not having passed the H S or its equivalent examination with 50% or 45% (as the case may be)

b. not being a graduate from any recognized university

c. being a madhyamik-pass para teacher

the applicant para teacher must have registered himself/herself with the West Bengal Council of Rabindra Open Schooling (WBCROS) or National Institute for Open Schooling (NIOS) for upgradation of academic qualification. Such candidates, must put the registration/enrolment number at the time of online registration.

This is further to inform all concerned that

i. The Two year D.El.Ed. course (through ODL-Mode)-2015-17 for the in-service Para-teachers is being conducted by West Bengal Board of Primary Education in accordance with the approval order of the NCTE mentioned herein above.

ii. A para teacher undergoing the Two Year D.El.Ed. Course through ODL mode may simultaneously upgrade his/her academic qualification for the course or percentage of marks in the H.S. or its equivalent examination through either WBCROS or NIOS. But she/he will not be declared to have passed the training course, unless and until she/he attains the minimum academic qualifications through such up-gradation.

iii. The registered para-teachers will be informed of their study centres through the D.I./S.I.s of Schools of the respective districts. iv. Such registered para-teachers will be provided with the printed study materials and details of the course from their respective study centres.

Application Procedure
  • Application can be submitted ON-LINE ONLY.
  • ON-LINE submission of applications will be closed on 18/01/2016 at 5:30 PM
  • Before filling ON-LINE application form, candidate is requested to read the following instructions carefully.
Applicant will first select his/her district. Then corresponding circles of the district will be populated. After choosing the circle, candidate will get the schools under the selected circle. Similarly after selection of the school, names of the provisionally eligible para teachers will be displayed. Candidate will select his/her name and enter his/her date of the birth after which the application form will appeared. All the fields in the application are mandatory if it is not mentioned otherwise. No modification will be allowed after submission of the ON-LINE application.
While filling up the form, you will be asked to upload jpeg/jpg/png files of your passport size photograph(maximum size 50 KB, dimension 240*300 (width X height) pixel) and your signature (maximum size 20 KB, dimension 150*30 (width X height) pixel).After submitting the application, copy of the application will be made available for printing. Taking print out of the submitted application, it is required to submit it to the SI of Schools after signing at the appropriate place within 2 working days.
If an eligible candidate faces any difficulty, will contact to SI of Schools in the following cases.
1. Applicant name is not available.
2. Date of birth is not matching.
3. Wrong information in the application form not submitted by the candidate.
4. Applicant does not find his/her circle/school name, he/she should contact DPO through SI.
5. School name is not available.
Upper Primary Para Teachers having B.ED from any recognize institution need not apply for D.El.Ed.

 

DOWNLOAD NOTIFICATION: para_teacher_d_el_ed

SOURCE:   http://www.wbsed.gov.in/wbsed/readwrite/notifications/120113161423001.pdf

 

DPSC Contact Number

Contact Nos. of District Inspector of Schools (Secondary & Primary):

 

District Name Contact No
Bankura DI (Sec) 03242253305
DI (Pri) 03242251310
Birbhum DI (Sec) 03462255378
DI (Pri) 03462256122
Bardhaman DI (Sec) 03422662351
DI (Pri) 03422662380
Coochbehar DI (Sec) 03582227766
DI (Pri) 03582222526
Darjeeling DI (Sec) 03542254184
DI (Pri) 03542252433
D. Dinajpur DI (Sec) 03522255259
Di (Pri) 03522255262
Hooghly DI (Sec) 03326802581
Di (Pri) 03326803172
Howrah DI (Sec) 03326373594
Di (Pri) 03326412545
Jalpaiguri DI (Sec) 03561230171
Di (Pri) 03561230388
Maldah DI (Sec) 03512252261
Di (Pri) 03512252342
Murshidabad DI (Sec) 03482252449
Di (Pri) 03482252752
Nadia DI (Sec) 03472252298
Di (Pri) 03472252141
North 24 pgs DI (Sec) 03325523148
Di (Pri) 03325524813
Paschim Medinipur DI (Sec) 03222275592
Di (Pri) 03222275593
Purba Medinipur DI (Sec) 03228267091
Di (Pri) 03228269926
Purulia DI (Sec) 03252222438
Di (Pri) 03252222970
South 24 Pgs DI (Sec) 03324790622
Di (Pri) 03324797868
U. Dinajpur DI (Sec) 03523253400
Di (Pri) 03523253695

 

 

Contact Nos. of District Primary School Councils:

 

District Contact No
Bankura 03242244326
Birbhum 03462255596
Bardhaman 03422662427
Coochbehar 03582222484
Darjeeling 03542254085
D. Dinajpur 03522255264
Hooghly 03326802370
Howrah 03326410189
Jalpaiguri 03561230355
Maldah 03512258535
Murshidabad 03482252076
Nadia 03472252764
North 24 pgs 00000000000
Paschim Medinipur 03222275670
Purba Medinipur 03228263116
Purulia 03252222810
South 24 Pgs 03324610780
U. Dinajpur 03523252789